মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০১৭

আহলে হাদীস ''সালাফী'র স্বরূপ কি?

 আহলে হাদীসের সংজ্ঞা কি?


সরাসরি কোরআন হাদীসের উপর আমল করতে আমরা অনেকেই আগ্রহী , যেহেতু কোরআন হাদীসের সুদৃঢ় পথকে আকড়ে ধরতে কোরআনে বলা হয়েছে সুতরাং ইসলাম পালনার্থে অন্য কোন পথ ও মতের প্রয়োজ নেই।
 تركت فيكم امرين لن تضلوا ما تمسكتم بهما كتاب الله و سنة رسوله
অর্থাৎ আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি , যতদিন তোমরা এ দুটিকে আকড়ে ধরবে ততদিন পর্যন্ত গোমরাহ হবেনা , একটি হল কুরআন আরেকটি হল হাদীস।
এজন্য সরাসরি কোরআন ও হাদীসের উপর আমল করে চলাই যুক্তিযুক্ত। আমরা কেন ভিন্ন মত, মাজহাব ,মাসআলা নিয়ে গভেষণায় লিপ্ত হব? কেন দলদলে বিভক্তি হয়ে মুসলিম ভ্রাতিত্বকে পদদলিত করবো?  কোন রকম মাধ্যম ছাড়া সীরাতে মুস্তাকিমে চলতে বাঁধা কিসের?
আসুন আমরা বাস্তবতার ভিত্তিতে বিশ্লেষণে সে দিকে যাই...                               প্রতিটি মুসলমান ইসলামী বিধিবিধান পালন করতে হলে কোরআন হাদীসের অনুসারী হতে হবে ,আল্লাহ ও তার রাসূলের দিকনির্দেশনা মানতে হলে কোরআনে কারীমের সাথে সাথে হাদীসে নববীর পরিপূর্ণ নির্দেশনা আমাকে মানতে হবে। এত্তেবায়ে কোরআন ও সুন্নাহকে সঠিকভাবে অনুসরণ করলেই আমি তখন খাঁটি মুমিন মুসলমান।

🔍
আহলে হাদীসের রূপ কি?
  • আহলে হাদীস 
  • সালাফি
  • গায়রে মুকাল্লিদ
  • লা-মাযহাবী
  1. প্রথমত আহলে হাদীস (হাদীসের অনুসারী)
  2. ২য় সালাফি (যারা সলফে সালেহীনদের অনুকরণঃ)
  3. ৩য় গায়রে মুকাল্লিদ (যারা তাকলীদ/ইসতেম্বাত অস্বীকারকারী)
  4. ৪র্থ লা-মাযহাবী (যারা ৪ মাজহাবকে সরাসরি অস্বীকারকারী)

উপরে উল্লেখিত সকলেই মূলত এক ও অভিন্ন ,অর্থাৎ তারা কোরআন হাদীসের সরাসরি অনুসারী দাবিদার।✒ প্রতিটি মুসলিম পুর্ণাঙ্গরূপে ইসলামি বিধিবিধান পালন করতঃ যেমন নামাজ, রোজা,হজ্জ,যাকাত ইত্যাদি ইত্যাদি প্রত্যহ বিষয়ে অন্তঃত ৫-১০টি হাদীস বর্ণিত আছে , আপনাকে আমলের ক্ষেত্রে যে কোন একটি হাদীসকে আমলে নিতে হবে, সব কয়টি হাদীস একত্রে এক সাথে মানা কোনভাবে সম্ভব নয়। যেমন ধরুন নামাজে কোথায় হাত বাঁধবো?           এই নিয়ে হাদীস রিসার্চ করে করে আমাকে তা বের করতে হবে ,পা’ কোন পজিশনে রাখবো? । অনুরূপ অনেকগুলো বিধানের ক্ষেত্রে ৫-১০টি বর্ণনা রয়েছে।এখন কোন হাদীস জয়ীফ আর কোনটি দুর্বল সেটি বিবেচনা করবো নাকি সময়মত নামাজ পড়বো , রোজা রাখবো?

আদিল্লায়ে আরবাআ:
তথা কোরআন , সুন্নাহ , ইজমা , কিয়াস
এই চারটি বিষয় থেকে লা-মাজহাবীরা শুধু দুইটাকে ব্যতিত বাকি ২টাকে তারা অস্বীকার করে।

এই সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে 
➥ সহীহ হাদীসের ক্ষেত্রে কোন হাদীটিকে প্রধান্য ‍দিব ? এই নিয়ে আছে বিরাট রিসার্চ,
  সনদের ক্ষেত্রে রাবি (বর্ণনাকারী) জীবনী সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা থাকা আবশ্যক।     রা’বির চরিতার্থ কেমন ? এসব বিষয়ে বর্তমান বিশ্বে ফিতনা-ফাসাদের জামানায় ভাবনা গভেষনা করে বিধিবিধান পালন করা নিছক বুকামি। তাহলে আমরা কিভাবে এগিয়ে যাব ইসলামি জীবন ধারায় ? 

৪টি মাজহাবেই রয়েছে মূল সমাধান , মাজহাব মানার অর্থ কোরআন হাদীস ছেড়ে ভিন্ন একটি পথ অনুসরণ নয়, বরঞ্চ সালফে সালেহীনদের পদঙ্খ অনুসরণ করে কোরআন হাদীস বুঝা ।

⚖ জনসাধারণের ক্ষেত্রে যদি আহলে হাদীস মতাদর্শ প্রয়োগ করা হয় তাহলে দেখুন ফিৎনা কি পরিমান সয়লাব হবে মুসলিম সমাজে !

  • জনসাধারণ যেই হাদীস সামনে পাবে তাকেই যাচাইহীন আমল শুরু করে দিবে, যার যার মত অনুপাতে নিজেদের আমলি জিন্দেগী ঢালাও ভাবে সাজাতে চেষ্টা করবে।
  • দৈনিন্দিন ইসলামি মৌলিক চাহিদাকে বাস্তবায়নে জনগণ প্রত্যহ বিবিধ হাদীসের উপর আমল করলে তখন মাজহাবের পরিসংখ্যান যাচায়ের জন্য ক্যালকুলেটর ব্যবহারে মানুষ ব্যর্থ হবে।
  • তখন যত মুসলিম  তত মাজহাব , এবং ততই ফিৎনা ‍। সুতারাং ইসলামকে পরিপূর্ণ রূপে মেনে নিতে চাইলে চার মাজহাবের বিকল্প নেই , 
চার মাজহাব মানা ব্যতিত আর সব ভণ্ডামী, ইসলামের মধ্যে তারা চরম ফেৎনাবাজ ।
অতএব নিজেদের ঈমান আমল হেফাজত করতে হলে আহলে হক্বদের নিকট জানুন...
টাকা পয়সার লোভে / কাহারো প্ররোচনায় পরে নিজের ঈমান আকিদাকে বরবাদ করে ফেলবেননা

আল্লাহ আমাদের সকল মুসলিম ভাইদেরকে এই সকল ফেৎনা থেকে হেফাজত করুক । 

শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

দরবারী আলেমদের প্রতি ত্যাজষ্য 'মুফতী আমিনী'-মুফতী সিরাজী

আলেমদের বাদ দিয়ে দেশ চলতে দেওয়া হবেনা : মুফতী আমিনী

বীরবিক্রম মুফতী ফজলুল হক্ব আমিনী (রাহঃ)
আমি এই মঞ্চ থেকে পরিস্কার বলছি ক্ষমতার পালা বদল হলে দরবারি-ফাইজি আলেমদের পিটের চামড়া থাকবেনা.........মুফতী ফজলুল হক্ব আমিনী (রাহঃ)
________
আমার আজও মনে পরছে সেই সিংহবিক্রম অগ্নিহুংকারী মুফতী আমিনী রাহমাতুল্লাহি আলাইহের কথা।
৪টা এপ্রিলের পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বীর আব্দুল কুদ্দুছ মাখন মুক্তমঞ্চে বিশাল জনসভায় লাখো জনতার সামনে ঈমানী বলে বলিয়ান হয়ে মুফতী আমিনী (রাহঃ)-এর ত্যাজব্যাঞ্জন কণ্ঠে কিছু অমর স্মৃতি থেকে...
--------------
স্কুলে পড়ে গান গাউ, নাচ শিখো, ইঞ্জিনিয়ার হও,  ডাক্তার হও শিল্পী হও তাতে কোন আপত্তি নাই কিন্তু রাষ্ট্র যদি পরিচালনা করতে হয় তবে আলেম উলামাদের বাদ দিয়ে পরিচালিত করতে দেওয়া হবেনা! হবেনা! হবেনা!।
________________
আমি সকল সরকারী কর্মকর্তাদের বলছি শোন... আরমি,  বিডিয়ার, র্যাব, নৌবাহিনী, ডিবি ও পুলিশ , আন্দলন চলাকালীন  তোমরা আমাদের একটা নেতাকর্মীদের উপর যদি ট্যারা চোখে থাকাও তবে তোমাদের চোখ উঠিয়ে ফেলবো।
ক্ষমতা একদিন আমাদের হাতে আসবে,  এজন্য আমরা প্রশাসনের সকল উর্ধতন কর্মকর্তাদের নাম লিস্ট করতেছি।
ক্ষমতায় আসার পর বাচাই করে করে ধরবো।
-----------
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বুকে ইসলামি চেনার এক কিংবদন্তীর জন্ম,  যিনি ছিলেন বাতিলদের সাথে আপোষহীন এক সিপাহী।
যার বক্ষ্য জুড়ে হযরত ওমরের বীরত্ব।
.
জাতি আমিনীর মত কান্ডারীকে হারিয়ে আজ বিরহ ব্যাথায় ভুগছে।
(আমিনী তুমি চির অমর হয়ে রবে আমাদের মাঝে)
ইসলামি রাজনীতিবিদ
মুফতী বোরহান উদ্দিন সিরাজী....  স্নেহধন্য মুফতী ফজলুল হক্ব আমিনী (রাহঃ) 


শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়ীয়া পড়ুয়া ছাত্রভাইদের ভার্চুয়াল নির্দেশনা

জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া,  ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ছাত্রভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


এলমিয়তের পাশাপাশি শিক্ষাজীবনকে সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে আমাদের আরও একটু এগিয়ে আসতে হবে


ক্বওমী মাদ্রাসায় পড়ে কোরআন ও হাদীসের বাণীগুলি প্রতিটি উম্মতের নিকট পৌঁছানোর বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে।
সেগুলো যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি আক্রে ধরুন। বিশেষ করে বাতিলের মোকাবিলায় আদিল্লায়ে আরবাআ'র সমন্বয়  তর্ক ও যুক্তিকতা অপরিহার্য।
মিডিয়া আমাদের ধরা ছুঁয়ার বাহিরে, কিছু সুনাম হলে টাকা দিয়েও মিডিয়ায় প্রচার করা যায়না।
আর কিঞ্চিৎ বদনাম হলেই মিডিয়ার গা গরম হয়ে উঠে।


কারণ তারা আমাদেরকে বাঁকা চোখে দেখে। সুতরাং  মিডিয়ার মূল প্রচারজগত যা সারা বিশ্বে আলোচিত, পরিচিত তাকে যদি কব্জা করে প্রচার মাধ্যম বানানো যায় তবে আমাদের ইহকালীন মনোভাব নির্বিঘ্নে উম্মতের কাছে পৌঁছে দেয়া যাবে।
এদের কথিক মাধ্যমগুলোঃ+ ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, ইউকিফিডিয়া ও আলোচিত শীর্ষ ব্লগ সাইট।
অষ্টগ্রাম বাজার মাদ্রাসায় ছাত্রদের পাঠ্যদান 

সোশ্যাল সাইটের একটি অতি সহজ সাইট হলো ফেসবুক যেখানে ক্বওমী তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষতম আলেমগণ কিছুনা কিছু সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আল হামদুলিল্লাহ ২০১০ যখন বার্চোয়াল জগতে লেখালিখি সূচনা করি তখন ক্বওমী মনস্ক দু'চারজন পেতাম যারা নিয়মিত সাড়া যোগিয়ে দিত।  এখন তো বলা যায় ফেসবুক প্লাটফরম মোটামুটি আমাদের আয়িত্বে।  সময়ে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমাদের ক্বওমী সৈনিকেরা এগোচ্ছে।


ফেসবুকে যাদের আইডি রয়েছে বা যাদের ফেসবুক সম্বন্ধে ভালো ধারা আছে  তাদের খেদমতে আমার উন্নয়নমূলক সোপান যাত্রা।
আমরা অনেকেই পোস্ট , ছবি আপলোড, মনোভাবধারা প্রকাশ করি প্রিয় ফেসবুকে!
যেমন ধরুন...


Add Location    

ক্লিক করুন,  সেখানে সার্চ দেওয়ার একটি কোটা আসবে


সেখানে গিয়ে লিখবেন

লিখুন  "younousia" মনে রাখবেন নামটি ইংরেজিতে হতে হবে নচেৎ খুঁজে পাবেননা।



সেখান থেকে jamia islamia younousia brahmanbaria  ছাপলেই কাজ হয়ে যাবে।

অথবা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শহরে আপনার অবস্থান বন্ধুদেরকে জানাতে


check in ▼ যোগ করুন


এখানে ব্রাউজার ও ফেসবুক এপ্সেরর ইস্ক্রিনশট দিয়েছি যাতে সহজভাবে সকলেই বুঝতে পারে।

আপনাদের যে কোন সহযোগিতার জন্য انشا ءللّہ আমি নালায়েক 'বোরহান উদ্দিন সিরাজী'   পাশে থাকবো। 





শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৫

নির্ভেজাল এক আশেকে রাসুলের স্মৃতিকথা →মুফতী সিরাজী

পবিত্র কুরআনে নবীপ্রেম (prophet love) বেশ আলোচিত এবং নির্দেশিত।
আর তা নিয়ে সীমা এবং দ্বিধাহীনতা।  এই দুই পক্ষপাত  নিয়ে মুসলিম উম্মার  বিভক্তি দেখা দিয়েছে (যদিও এটা ইংরেজ সৃষ্ট বিবাদ)
ইংরেজরা কোন দিন এদেশের মানুষ সাম্য,বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক হোক এটা চায়নি।

উপমহাদেশে মুসলমানদের বিভাজিত করে হিংসার কৃষ্ণ আঁধারে ডুবিয়ে রেখে গিয়েছে।
খোদার  কসম!  ইংরেজরা "যে মুসলিদের ওয়াহাবী আখ্যা দিয়ে নোটিশ চাপিয়েছে তারা মোটেও ওয়াহাবী নয়!  তারাই প্রকৃত "আহলে সুন্নাত"।

আর যাদের সুন্নি বলে চাদরে গা ঢাকা দিয়েছে তারা মূলত "বেরলভী"।
মুসলিম ভ্রাতিত্বে চির ফাটল ধরিয়ে দিয়ে গেছে ক্রুসেডরা।

কোরআন-হাদীসের আলোকে আশেকে রাসুল...,
আল্লাহ বলেন ;
 يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُوْلِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا 
(59)
( سورة النساء )
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর (তথা কুরাআন-সুন্নাহর আলোকেই তা সিদ্ধন্ত গ্রহন কর)-যদি তোমরা আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম। (সূরা নিসা-৫৯)

এই ধরণের অনেক আয়াত, যেথায় ভালোবাসার পাশাপাশি অনুসরণের তাকিদঐ বেশি দেওয়া হয়েছে।

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। [সুরা ইমরান: ৩১]

যার কার্যকলাপের মধ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নবী প্রেম বিদ্ধম, সেই নির্ভেজাল আশেকে রাসুল (সাঃ)।

➽ নবীর মহব্বতের
মাফকাঠি হলো সুন্নাতে রাসূল।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন,
ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ؛ ﻣﻦ
ﺍﺣﺐ ﺳﻨﺘﻰ ﻓﻘﺪ ﺍﺣﺒﻨﻰ ﻭﻣﻦ ﺍﺣﺒﻨﻰ ﻛﺎﻥ ﻣﻌﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﺠﻨﺔ
এখানে তিনি বলেছেন,
ﻣﻦ ﺍﺣﺐ ﺳﻨﺘﻰ ﻓﻘﺪ ﺍﺣﺒﻨﻰ
যে আমার সুন্নতকে মহব্বত করবে অর্থাৎ আমার সুন্নতের পায়বন্ধ
হবে,
তারাই আমাকে মহব্বত করে। অর্থাৎ মহব্বতের
মাফকাঠি হলো সুন্নাতে রাসুল।
ﻭﻣﻦ ﺍﺣﺒﻨﻰ ﻛﺎﻥ ﻣﻌﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﺠﻨﺔ
আর আমার সুন্নাত পালন করার
মাধ্যমে যারা আমাকে মহব্বত করবে, তারা আমার
সাথেই জান্নাতে থাকবে।
মনে, প্রানে, সর্বাঙ্গে তার ভালোবাসার স্বরূপ হল→ কাজে (সুন্নতে) তা বাস্তবায়িত করা।
এমন প্রকৃত ভালোবাসার প্রতিফলন সোজা জান্নাত!

আজ এমন একজন অসাধারণ মানবীর প্রেমালাপ আলোকপাত করবো,  যার হৃদয়সিক্ত  নবী প্রেমজলে। 



আল্লামা আলহাজ্ব মুফতী নূরুল্লাহ্ সাহেব (রহঃ),

যার জীবনে ৩০বারের চেয়ে বেশি হজ্বব্রত পালনের সুভাগ্য হয়। 
মদীনা প্রেমের সিন্ধুক এই মনীষী, পর্যাপ্ত ধনভান্ডারের অধিকারী না হয়েও এতবার হজ্বের অপূর্ব সুযোগ কি করে পেলেন?

তাই আসুন  ওনার জীবনে প্রথমবার হজ্বে গমণের ইতি কথার পর্বে ফিরে যাই! 
♣ তিনি দৈনিন্দিন হাজারো বার দরুদ পৌঁছাতেন সোনার মদীনায়। সুন্নতি জীবনযাপনে সদা অঠল অবিচল থাকতেন।

মদীনা রওয়ানা ওনার আবেগি প্রেরণা নিয়ে ঘুরতেন নিশিদিন।
হঠাৎ এক নিঝুম রজনীতে ঘুমের মধ্যে সুদর্শন সবুজ পরিধেয় অপূর্ব রূপে,  মদীনাওয়ালা ওনাকে সুহবত দিয়ে মক্কা-মদীনা নিমন্ত্রন করলেন।

ঘুম থেকে উঠে তিনি কিংকর্তব্যবিমূঢ়!!  আনন্দে হাঁসবেন না কাঁদবেন?
যার জন্য এ জীবন ধন্য, তিনি আজ স্বপ্ন রাজ্যে মুলাকাত করলেন। এই আনন্দ'কি আর সামলে নেওয়া যায়?

এত আনন্দ থাকা সত্তেও হাউমাউ করে ডুকরে কাঁদতে ছিলেন।
নির্দিষ্ট নামাজ পড়ে, একাগ্রতার সাথে ধ্যানে মগ্ন হলেন।
ক্ষণকাল পরেই মসজিদের  মিনারা মাইক থেকে প্রভাতী সূচনা আজানের ধ্বনিতে মুখরিত হলো পুরো শহর।

ফজরের সালাত বেশ মনযোগের সাথে পড়িয়া, গভীর চিন্তায় নিমজ্জিত হয়ে অশ্রুজল ফেলতে লাগলেন (তখনো হুজুর হজ্জ করার সমর্থবান হননি) এছাড়া বিকল্প ব্যবস্থাও নেই।

তাই মনে প্রাণে আল্লাহ ও রাসুলকে স্মরণ করছেন।
রোদেলা সকালে সোনালী আভা নিয়ে রবির আলো চারিদিকে  ফুটার আগেই কে যেন এসে হুজুরের কক্ষ্যে কড়াঘাত করলেন!
হুজরার ফটক খুলতেই এক অচেনা যুবক সালাম জানিয়ে ওনার সঙ্গে কৌশল বিনিময় করলেন।

কথার ফাঁকে জৈনক ব্যক্তিটি  এক সময় হুজুরকে করুণ স্বরে আরজি করে বসলেন জেন,  এই বৎসর তার মা/বাবার বদলি হজ্জখানা তিনি  করে আসেন।


আল্লামা মুফতী নূরুল্লাহ্ সাহেব (রহঃ) হাতে জেন চাঁদ পেলেন, পেলেন জেন তার হারানো আত্বা। তিনি আল্লাহর শোকর আদায় করে আনন্দে আত্বহারা হয়ে গেলেন।

এভাবে ওনার জীবনের প্রথম হজ্বব্রত আদায়ের সুযোগ হওয়ার পর নিজ থেকে ৩০ বারের উর্ধে মক্কা মদীনা গমন করেন।


তবে জীনের শেষ ইচ্ছাটুকু অপূরণই থেকে গেলো।
আমাদের প্রায়সময় বলতেন হজ্জ অবস্থায় মক্কা মদীনায় ওনার ওয়াফাত হবে আর নবীর দেশেই তাকে দাফন করা হবে!

এই মদীনাওয়ার আশেকটি কত যে প্রেরণা নিয়ে ঘুরতেন মদীনায় ওনার মৃত্যু ও দাফ হবে, এই মরণটি তার কাম্য ও সর্বউৎকৃষ্ট মৃত্যু বল ধারণা ছিল।
কিন্তু খোদার কৃপায় ব্রাক্ষণবাড়ীয়া "জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া" শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন!

আর সমাধিস্থ হলেন যুগ বিখ্যাত ওলীয়ে কামেল আল্লামা ফখরে বাঙ্গাল তাজুল ইসলাম (রহঃ)-এর পাশ্বে।

আমার প্রিয় ওস্তাদজীর জন্য ব্লগিং প্লেনটি উৎসর্গ করলাম। 


সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৫

কওমী মাদ্রাসার পাঠ্য বিষয়বস্তুতে আদর্শ রাষ্ট্র ব্যবস্থা | মুফতী সিরাজী


আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আমাদের কৃতিত্ব। 







 কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে, প্রতিবেশী দেশের সাথে সম্পর্ক কেমন হবে,  কিভাবে দেশের মানুষের মধ্য শান্তি আসবে-তার সুবিন্যস্ত আলোচনা রয়েছে ইসলামে।
আজ দেশের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা, ঝগড়া বিবাদ ও পরস্পরে দ্বন্দ্ব -কলহের একমাত্র কারণ হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা না থাকা।
 এসব সমস্যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

আর ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা শিক্ষা দেওয়া হয় কওমী মাদ্রাসায়।
ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা যদি কায়েম হয়ে যায় তাহলে নিঃসন্দেহে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।


দেশ বিরাজ করবে অনাবিল শান্তি,
মানুষের মাঝে সৃষ্টি হবে সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব,
থাকবেনা পরস্পরে দ্বন্দ্ব -কলহ, হত্যা রাহাজানি যুদ্ধ বিগ্রহ।
দুনিয়াতে বিরাজ করবে জান্নাতি পরিবেশ।

এর নজীর ইসলামের ইতিহাসে অনেক রয়েছে। যেমন হযরত ওমর ইবনে আঃআজিজের সময় বাঘ ও বকরী এক ঘাটে পানি খেত। কিন্তু বাঘ বকরীর উপর আক্রমন করত না। মানুষে মানুষে ঝগড়ার কোন প্রশ্নই আসে না। বর্তমানেও ঐ পরিবেশ কায়েম করা সম্ভব যদি ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা সমাজে প্রতিষ্ঠা করা যায়।
মোটকথা হল-মানুষের ব্যক্তিগত, সামাজিক, অর্থনীতিক ও রাষ্ট্রিয় জীবনের সব সমস্যার সমাধান করে সর্বস্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠার্থে যেসব বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য - ঐ সব বিষয় এ সকল কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষা দেওয়া হয়।
সুতরাং কওমী মাদ্রাসার সিলেবাসে পরিবর্তন না করে এই সিলেবাসটা যদি স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়,  তাহলে দেশের সমস্যা সমাধান অনেকটা সহজ হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

তাই দেশবাসীর প্রতি আমার আকুল আবেদন, কালের স্রোতে ভেসে যাবেননা।  চিন্তা করুন, আল্লাহ আপনাকে বিবেক বুদ্ধি দান করেছেন।
কোন দিকে আপনার যাত্রা হবে?
আপনার কলিজার টুকরা সন্তানকে কোন শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন?
ভেবে দেখুন।

অবশেষে দেশে নামধারী বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা প্রথমে আল্লাহর কাছে তওবা করুন।  তারপর চিন্তা করে দেখুন,  কওমী মাদ্রাসার সিলেবাসে সন্ত্রাসের কোন আশ্রয় নেই। কওমী মাদ্রসা সন্ত্রাস প্রজনন কেন্দ্র হতে পারেনা।
মাদ্রসা -মসজিদ,  মার্কাজ -খানকা এসব ইসলামের প্রচার ও সংরক্ষণ কেন্দ্র।

সুতরাং কোন একটিকে সন্ত্রাসী মহল  সাব্যস্ত করা ইসলামের বিরুদ্ধে, নবীর বিরুদ্ধে, আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার শামিল।

তাই ভাই ও বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ, আমরা (কওমীপন্থী আলেমগণ) আপনাদেরকে শান্তির ধর্ম ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছি।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হেদায়ত দান করুন,  আমিন

রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

কওমী আলেমদের জন্য এখনো মানুষের ভালোবাসা

শত বাধাঁ, কষ্ট উপেক্ষা করে কেন এত মানুষ আসে এখানে?



জামিয়া ইউনুছিয়া শতবার্ষিকী দস্তারবন্দী বহু আলোচিত, প্রত্যাশীত এক স্বপ্নময় সম্মেলন,
যে স্বপ্নের মূল নায়ক দারুল উলুম দেওবন্দ মজলিশে শুরার (فداۓ ملت) সদস্য আল্লামা আবু তাহের ইউনুস মুজাফ্ফরী রহঃ এবং আল্লামা তাজুল ইসলাম ফখরে বাঙ্গাল রহঃ, আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী রহঃ, আল্লামা আব্দুল ওয়াহাব পীরজি রহঃ, আল্লামা সিরাজুল ইসলাম (বড় হুজুর) রহঃ সহ সকল আকাবীরে জামিয়া ইউনুছিয়ার।

ছিলনা এখানে কোন আকর্ষনিয় লাইটিং, না'ছিল স্পেশাল বসার ব্যবস্থা , না'ছিল পরিমাণ মত পানিয় ও খাদ্য।
মোটকথা জনসমাগম অনুযায়ী ভালো কোন ব্যবস্থা নিতে পারিনি।

এক দিকে দমন নিপীড়ন অন্যদিকে পিকেটারদের হাতে নিজের জীবনের ঝুঁকি! তার পরও মানুষের ভিরে গা ঘেঁষে এক কদম দু'কদম হেটে হেটে কোনমতে প্যান্ডেলে ঢুকে।
আগ্রহ যুবকদের পিছনে ফেলে মুরুব্বিগণ সামনে অগ্রসর হতে চায়, তাঁরা গ্রামের আঁকা বাঁকা পথ পাড়ি দিয়ে লাঠি ঠেকিয়ে ঠেকিয়ে আদিম যুগের বাতি (হারিকেন) নিয়ে শহরে অলিগলিতে জায়নামাজ বিছিয়ে বসে গভীর মনুযোগে ওয়াজের দামী দামী কথা শোনেছেন।
ওয়াজ শেষে রাতের গভীরে কোন মসজিদে বা মাঠের ভেতর বা আশপাশে কোথাও চাদর মোড়িয়ে শুয়ে থাকে।

মা"বোনদের আগ্রহ তো অসাধারণ যা কল্পনাও করা যায়না
শহরে নিকটতম আত্মীয় বা দূরবর্তী কাহারো বাসায়, অনেক সময় বাসার ছাদে বা দল বেধেঁ রাস্তার পাশে চাদর টানিয়া নিশ্চোপে ওয়াজ শোনার জন্য দূরদূরান্ত থেকে সাপ্তাখানেক আগেই চলে আসে।

এই লক্ষ্য-কোটি তাওহীদি জনতার জন্য প্রয়োজন হয়নি কোন ট্রাফিক বা নিরাপত্তাকর্মী।
এই নিদর্শনগুলি এই দিকেই ইংগিত করে যে- এখনো বাংলার মানুষ তাওহীদকে নিজের জীবনপেক্ষায় ভালোবাসে।
শাহ জালাল রহঃ শাহ পরান রহঃ-এদের মত আলেম উলামাদের প্রতি এখনো মানুষের আস্থা রয়েছে। যদিও সিনেমানাটকে আলেমদের হেয় করে জনগনের আস্থা, আত্মবিশ্বাস কেড়ে নিতে চায়।

আমি আলেম বিদ্ধেশী ও নাস্তিকদের লক্ষ্য করে বলছি তোমরা এই একটি চিত্র থেকে তোমাদের ভুল সংষোধন করে নিতেপার। যা তোমাদের লিডারেরা বাস্তবায়নে ব্যর্থতা প্রকাশ করেছে।

অনেকে অনেক পীরগুরু অন্ধভক্ত হিসাবে নিজের আত্মবিশ্বাসকে নিজ দলেই সীমাবদ্ধ রাখে, অন্য জনের কথা যদিও ১০০% হক হয়, তবো সে দিকে না বুঝার চেষ্টা করে। প্রকৃত কোরআন হাদীস জ্ঞানের ভান্ডার যাদেরকে আল্লাহ তায়ালা দিয়েছেন তাদের দেখলেই যেন গা চুলকানী শুরু হয়, এই চিত্রগুলি তোমাদের জন্য একটা প্রাইজ দিলাম যা তোমাদের চিন্তা চেতনাকে সঠিক পথে পরিচালনা করবে।

সাম্রাজ্যবাদী, জালিমশাহী ও নাস্তিক্যবাদ সহ সকল তাগুতীশক্তি তোমাদের যে বিষয়টি জানা থাকা আবশ্যক তা হল দমন নিপীড়নে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, স্যাকুলারি, রাজনৈতিক স্বৈরাতন্ত্র রুখা যায়। কিন্তু ইসলাম ধর্ম ও তাওহীদিশক্তিকে কোনভাবেই রুখা যায়না। কারণ অন্যান্য সকল বিষয় আবিস্কারে কোন ব্যক্তির হাত থাকে। আর ইসলামের বাতি স্বয়ং আল্লাহ জালিয়েছেন, যাকে নিবিয়ে দেওয়ার শক্তি কাহারো নেই, কেহ এ বাতি নিবাতে চাইলে তার কালো হাত পুরে যাবে, সে নিজের অস্তিত্ব হরাবে তবো ইসলামের বাতি নিবাতে পরবেনা।

আল্লাহ আমাদের জামিয়া ইউনুছিয়ার আলোকে গোটা জাতির জন্য হেদায়তের নূর বানিয়ে দিন।

মুফতী বোরহান উদ্দিন সিরাজী

(লেখাটি কপি না করে শেয়ার করুন)

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৪

জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাক্ষণবাড়ীয়া | Jamia Islamia younuosia brahmanbaria



আল-
জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাক্ষণবাড়ীয়া
|
|
যার প্রতিষ্ঠের পিছনে মদীনার
ইশারা রয়েছে , যাকে প্রতিষ্ঠ করার
লক্ষ্যে রয়েছে আওলিয়াকেরামের
চোখের অশ্রু ।
এমনি একজন সাধক ভারতের মুজাফ্ফর নগর
থেকে গমন করেন শহীদবাড়ীয়ার পিষ্ঠে
তখনকার কাদিয়ানী ফিত্না এমন
ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে গজিয়ে ছিল যেন
বিভ্রান্তির
বেড়াজালে আটকিয়ে দিবে উক্ত
উম্মতে মুহাম্মদীকে ,
তাদের সেই ভন্ডামির কবল
থেকে ব্রাক্ষণবাড়ীয়াবাসীকে মুক্ত
করতে মদিনাওয়ালার স্বপ্নের ইশারায়
দূর্গমঘিরী পথ অতিক্রম
করে ব্রাক্ষণবাড়ীয়া পৌঁছেন ,
এবং প্রতিষ্ঠা করেন উম্মুল মাদারিসিল
কাওমীয়া ।

যাকে ধিরে ধিরে অক্লান্ত পরিশ্রমের
মাধ্যমে বহুতল বভন বিশিষ্ট একটি এলেমের
মার্কায হিসেবে গড়ে তুলেন

মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৪

تراسے حضرات علمآۓدین / مفتی سراجی

محترام دوست وبزرگ"

میرے طرف سے آپ لوگوں کے پاس چوٹا درخواست
،
حق جلجلاله کے حکم شریعت
اور انکی اپنے رسول پاک صلی الله علیه وسلم کےسنّت بجلانے کےکوشش هم سب بندوں پر لازم هواھے
اس کی علاوه دنیا میں کوٸ  کام میں کامیابی نهیں؛

دنیاکے شروع سے همارے نبی تک جتنے رسول اورنبی آیا تها  سب کے سب اپنے آقا کے تابعدار لوگوں کو بنانے کے یهی کوشش کرتاتها
،
اس وجه سے بهت پیغمبر جان کی ختراچوڑ کر
تعلقات مولی انسان میں پیدا کیا
اور کافر مشرک کی طرف سےتکلیف برداشت کیا تها

بهایوں دوست و بزگ 
صرف نبوت کے درجه ختم هوا 
دعوات ایمان کے ختم نهیں
اس تبلیغ نیےانجام هوا کوٸ کام نهیں

فرمایا آپ صلعم نے
بَلِِّغُو٘ا عَنِّی٘ وَلَو٘ أیَه





انشاالله اجتماع کے میدان میں ملاقات هوگا

শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৪

আমাদের সনদ

কিছু জ্ঞান
পাপিরা বলে ক্বওমী মাদ্রাসার কোন
সার্টিফিকেট নাই।



আমরা বলি সরকারি সার্টিফিকেট কচু
পাতা আর কলা পাতা মত। 
আমাদের
সার্টিফিকেট স্বয়ং আল্লাহ পদত্ত
সার্টিফিকেট। আমাদের
সার্টিফিকেটের মত সার্টিফিকেট
পৃথবির কেউ দেখাতে পারবেনা।


দেখুন আমাদের সনদ।আল্লামা আহমদ
শফী তিনার উস্তাদ
হুসাইনআহমদ মাদানি তিনার
উস্তাদ মাহমুদ হাসান
দেওবন্দি তিনার উস্তাদ ক্বাসিম
নানুতবী
 তিনার উস্তাদ শায়েখ আব্দুল
গণী তিনার উস্তাদ শায়েখ ইসহাক্ব
তিনার উস্তাদ শায়েখ আব্দুল আজিজ
দেহলবী

 তিনার উস্তাদ শাহ
ওলিউল্লাহ
মুহাদ্দিসে দেহলবী তিনার উস্তাদ
শায়েখ আবুতাহের মাদানি তিনার
উস্তাদ শায়েখ ইব্রাহিম
কুর্দি তিনার উস্তাদ শায়েখ আহমদ
কেসাসী তিনার উস্তাদ শায়েখ আবুল
ওয়াহাব সানাবী তিনার উস্তাদ
শায়েখ শামসুদ্দিন রমানী তিনার
উস্তাদ শায়েখ আহমদ
জাকারিয়া আনসারি

 তিনার উস্তাদ
শায়েখ আবুল ওয়াহাব সানাবী তিনার
উস্তাদ শায়েখ যায়নুদ্দিন
তানখি তিনার উস্তাদ আবুল আব্বাস
আহমাদ হাজ্জাজি তিনার উস্তাদ
শায়েখ সিরাজুদ্দিন
হাম্বলী জুবাইদী তিনার উস্তাদ
শায়েখ আব্দুল আফফাল হারবি তিনার
উস্তাদ শায়েখ আব্দুর রাহমান
দাউদি তিনার উস্তাদ শায়েখ আবু
মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ সুরাখসী তিনার
উস্তাদ শায়েরখ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ
আলফারওয়ারি তিনার উস্তাদ শায়েখ
ইমাম বুখারি তিনার উস্তাদ হাম্মাদ
তিনার উস্তাদ আব্দুল্লাহ
ইবনে মোবারক তিনার উস্তাদ
ইমামে আজম আবু হানিফা তিনার
উস্তাদ আনাছ ইবনে মালেক তিনার
উস্তাদ আল্লাহর নবীর
সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:)
তিনার উস্তাদ নবীয়ে কারিম